সব প্রোডাক্ট

AptManager

সমিতির হিসাব, সবার হাতের মুঠোয়

চালু · সমিতি যুক্ত হচ্ছেaptmanager.alnodes.comAndroid app on Google PlayProduct page in English
অগ্রগতি92%

30

দিন ফ্রি, কার্ড ছাড়া

16

ঐচ্ছিক মডিউল

2

প্ল্যাটফর্ম: ওয়েব ও অ্যান্ড্রয়েড

৳36–60

প্রতি ফ্ল্যাটে মাসে

সংক্ষিপ্ত পরিচয়

বাংলাদেশের বেশিরভাগ ফ্ল্যাট মালিক সমিতি এখনো খাতা, এক্সেল ফাইল আর হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে হিসাব রাখে। কমিটি সম্পূর্ণ সৎ হয়েও প্রমাণ দেখাতে পারে না — আর সেখান থেকেই বার্ষিক সাধারণ সভার তর্ক শুরু হয়।

AptManager কমিটিকে একটি খাতা দেয়, আর প্রতিটি মালিককে সেই খাতার একটি জানালা। কোষাধ্যক্ষ এক ক্লিকে সব ফ্ল্যাটের মাসের বিল তোলেন; প্রতিটি এন্ট্রির সাথে তারিখ, খাত আর কে তুলেছে তার নাম থাকে; আর প্রতিটি মালিক নিজের ফোনে নিজের বকেয়া দেখেন — পুরো সমিতির হিসাব নয়।

ভেতরে একটি মাল্টি-টেন্যান্ট .NET প্ল্যাটফর্ম: ছয়টি সবসময়-চালু মডিউল প্রতি মাসের প্রয়োজন সামলায়, আর ষোলোটি মডিউল একটি একটি করে চালু করা যায় — ফলে ছোট ভবনের পর্দা ছোট ভবনের প্রয়োজনের মতোই সহজ থাকে।

মূল দিক
  • এক ক্লিকে প্রতিটি ফ্ল্যাটের মাসের সার্ভিস চার্জের বিল
  • প্রতিটি এন্ট্রিতে তারিখ, খাত আর যিনি তুলেছেন তাঁর নাম
  • মালিক দেখেন নিজের বকেয়া; পুরো হিসাব শুধু কমিটির কাছে
  • নোটিশ পৌঁছায় দেশের বাইরের মালিকের কাছেও, শুধু লিফটের দেয়ালে নয়
  • পুরোটাই বাংলায়, ৳ লাখ/কোটি হিসাবসহ, সাথে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ
  • ষোলোটি ঐচ্ছিক মডিউল বন্ধ থাকে, যতক্ষণ না ভবনের প্রয়োজন হয়
টেক স্ট্যাক

ব্যাকএন্ড

ASP.NET Core (.NET 10) + ABP 10

ডেটাবেস

PostgreSQL 16 + EF Core

ওয়েব

React 18 + TypeScript + Vite

মোবাইল

React Native (Expo SDK 54)

হোস্টিং

Render (API) · Vercel (web)

লগইন

OTP + JWT + biometric unlock

ফিচারের বিস্তারিত

মডিউল ধরে সাজানো, প্রতিটি ফিচারের চলতি অবস্থাসহ।

সার্ভিস চার্জ ও বিল

5টি ফিচার

এক ক্লিকে মাসের বিল

চালু

এক সাথে সব ফ্ল্যাটের মাসের সার্ভিস চার্জ, প্রতিটি জমার বিপরীতে রসিদ নম্বরসহ।

বকেয়ার তালিকা

চালু

এক পর্দায় কোন ফ্ল্যাট কত টাকা, কত মাস বাকি — খাতা ঘাঁটতে হয় না।

আংশিক জমা

চালু

মালিক বিলের অংশ দিতে পারেন; বাকিটা শোধ না হওয়া পর্যন্ত বকেয়ার তালিকায় থাকে।

টাওয়ার অনুযায়ী আলাদা হার

চালু

যে কমপ্লেক্সের টাওয়ারভেদে হার আলাদা, সেখানে বিলেও আলাদা বসে — আলাদা হিসাব লাগে না।

ফ্ল্যাট অনুযায়ী পার্কিং ফি

চালু

পার্কিং ফি একই মাসিক বিলে যুক্ত হয়, আলাদা করে তুলতে হয় না।

আয় ও ব্যয়

5টি ফিচার

আয়ের খাতা

চালু

প্রতিটি জমা খাত ধরে লেখা হয়, সাথে স্বয়ংক্রিয় রসিদ নম্বর।

অনুমোদনসহ খরচের ভাউচার

চালু

ভাউচার নম্বর, কার কাছে গেল, কে অনুমোদন করল — বছর শেষে প্রশ্নের উত্তর খাতাতেই থাকে।

মাসিক ও বার্ষিক রিপোর্ট

চালু

ছাপানোর উপযোগী হিসাব আর বকেয়ার সারসংক্ষেপ — সাধারণ সভায় বিলি করার মতো।

তহবিলের অবস্থা

চালু

হাতে কত আছে, এ মাসে কত এলো আর কত গেল — কোষাধ্যক্ষ ঢুকলেই দেখা যায়।

প্রারম্ভিক জের তোলা

চালু

নতুন কমিটি আগের বছরের সমাপনী জের থেকে শুরু করে, কোষাধ্যক্ষ ও সভাপতির অনুমোদনে।

কমিটি ও বাসিন্দা

6টি ফিচার

ভূমিকা অনুযায়ী অধিকার

চালু

সভাপতি, সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, মালিক — যাঁর যতটুকু দেখার, ততটুকুই।

মালিকের নিজস্ব দৃশ্য

চালু

মালিকের পর্দায় থাকে নিজের বিল আর বকেয়া — 'আমি তো দিয়েছিলাম' তর্ক থামে, খাতা খুলতে হয় না।

নোটিশ বোর্ড

চালু

একবার নোটিশ দিলে প্রতিটি মালিকের ফোনে পৌঁছায়, হোয়াটসঅ্যাপে শেয়ারের সুবিধাসহ।

রক্ষণাবেক্ষণের আবেদন

চালু

মালিক সমস্যা জানান, কমিটি কাজের আদেশ দেয়, খরচ ব্যয়ের খাতায় বসে যায়।

অভিযোগ

চালু

নাম না জানিয়েও অভিযোগ করা যায়; উত্তর, উচ্চতর পর্যায়ে পাঠানো ও নিষ্পত্তি — সবই ট্র্যাক হয়।

একসাথে সদস্য তোলা

চালু

এক্সেল বা CSV ফাইল থেকে গোটা সমিতি কয়েক মিনিটেই যুক্ত হয়।

ঐচ্ছিক মডিউল — যেটুকু দরকার, সেটুকুই

9টি ফিচার

পার্কিং ও দর্শনার্থীর তালিকা

চালু

স্লট বরাদ্দ, দর্শনার্থীর পার্কিং, গার্ডের শিফট আর আসা-যাওয়ার রেকর্ড।

ভোট ও সিদ্ধান্ত

চালু

সভার বাইরে সিদ্ধান্ত নিতে — বিকল্পসহ পূর্ণ ভোট প্রক্রিয়া ও প্রকাশিত ফল।

বার্ষিক বাজেট ও তহবিল

চালু

অর্থবছরের বাজেট ও বাজেট-বনাম-প্রকৃত রিপোর্ট, সাথে আলাদা তহবিল ও তাদের মধ্যে স্থানান্তর।

বিশেষ চাঁদা

চালু

এককালীন খরচ ফ্ল্যাটে ভাগ করে নিয়মিত বিলের সাথে কিস্তিতে আদায়।

ইউটিলিটি মিটার

চালু

মিটার রিডিং থেকে প্রতিটি ফ্ল্যাটের ব্যবহার ও খরচ আপনাআপনি হিসাব।

বাসা বদল ও জামানত

চালু

বকেয়া নিষ্পত্তিসহ বাসা বদলের রেকর্ড, আর জামানত-অগ্রিমের আবেদন, অনুমোদন ও ফেরত।

সম্পদ, ভেন্ডর ও দলিল

চালু

সেবার সময়সূচিসহ সম্পদের তালিকা, রেটিংসহ ভেন্ডর তালিকা, আর অধিকার-ভিত্তিক দলিল সংরক্ষণ।

অনুমোদন প্রক্রিয়া

চালু

একাধিক স্তরের অনুমোদন, অপেক্ষমাণ সংখ্যা দেখানোসহ — বড় খরচ এক সইয়ে হয় না।

অনলাইন পেমেন্ট (SSLCommerz)

চালু

মালিক অনলাইনে সার্ভিস চার্জ দিতে পারেন; ফেরত বার্তায় IPN যাচাই ও হ্যাশ মিলিয়ে দেখা হয়।

এআই স্তর

3টি ফিচার

ভাউচার ও রসিদ স্ক্যান

পরিকল্পনায়

ক্যাশ মেমোর ছবি তুললে তারিখ, টাকা ও খাত পড়ে খরচের খসড়া এন্ট্রি তৈরি হবে — কোষাধ্যক্ষ অনুমোদন করবেন।

বাংলায় তাগাদার খসড়া

পরিকল্পনায়

ফ্ল্যাট ধরে ভদ্র ভাষায় তাগাদার বার্তার খসড়া — কমিটি দেখে তবেই পাঠাবে।

বার্ষিক সভার সারসংক্ষেপ

পরিকল্পনায়

বছরের আয়-ব্যয় গুছিয়ে সেই কয়েক পাতায়, যা সাধারণ সভায় সত্যিই পড়া হয়।

প্রতিষ্ঠাতা ২০ — প্রথম কুড়িটি সমিতি

বেশিরভাগ সমিতি সফটওয়্যার নেয় না, কারণ 'সব তথ্য বসাবে কে?' — এর উত্তর থাকে না। তাই প্রথম কুড়িটি সমিতির ডেটা আমরাই বসিয়ে দিই — ফ্ল্যাটের তালিকা, মালিকদের নাম-নম্বর, সার্ভিস চার্জের হার আর চলতি মাসের বকেয়া। সেটআপ ফি নেই, যতদিন আছেন শুরুর দামেই থাকবেন, আর ঢাকার ভেতরে হলে কমিটির সভায় গিয়ে দশ মিনিটে দেখিয়ে দিই।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

AptManager কী?+

AptManager বাংলাদেশের ফ্ল্যাট মালিক সমিতির জন্য তৈরি ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার। কমিটি সমিতির নিবন্ধন করে, ফ্ল্যাট ও সদস্য যোগ করে, মাসিক সার্ভিস চার্জের হার ঠিক করে, আর এক ক্লিকে সব ফ্ল্যাটের বিল তোলে। মালিকেরা ওয়েবে বা অ্যান্ড্রয়েডে ঢুকে নিজের বিল আর সমিতির আয়-ব্যয়ের রিপোর্ট দেখতে পান। প্রতিটি এন্ট্রিতে তারিখ, খাত আর যিনি তুলেছেন তাঁর নাম থাকে, ফলে হিসাব যেকোনো সময় যাচাই করা যায়।

AptManager-এর দাম কত?+

দাম নির্ভর করে ফ্ল্যাট সংখ্যার উপর, ব্যবহারকারীর সংখ্যার উপর নয়: ৮–২৫ ফ্ল্যাটে ৳১,৫০০/মাস, ২৬–৬০-এ ৳৩,০০০, ৬১–১২০-এ ৳৫,৫০০, ১২১–২৫০-এ ৳৯,০০০; এর বেশি হলে আলাদা করে ঠিক করা হয়। বাৎসরিক প্যাকেজে দুই মাস ফ্রি। প্রতিটি প্যাকেজে সব ফিচার থাকে, আর সমিতি যত খুশি সদস্য অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে। মালিকদের মধ্যে ভাগ করলে প্রতি ফ্ল্যাটে মাসে ৳৩৬–৬০ পড়ে।

মোবাইল অ্যাপ আছে?+

হ্যাঁ। AptManager-এর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ Google Play-তে আছে, আর বেশিরভাগ ফ্ল্যাট মালিক সেটিই ব্যবহার করেন — নিজের বিল, বকেয়া আর সমিতির নোটিশ দেখতে। কমিটি অ্যাপ বা ব্রাউজার — যেকোনোটি থেকে কাজ করতে পারে; কম্পিউটারে কিছু ইনস্টল করতে হয় না।

৩০ দিনের ফ্রি ট্রায়ালের পর আমাদের হিসাবের কী হবে?+

কিছুই মুছে যায় না, কিছুই আটকে যায় না। আপনার আয়-ব্যয়ের রেকর্ড, পুরনো বিল আর রিপোর্ট আগের মতোই খোলা থাকে। শুধু নতুন মাসের বিল তৈরি করা থেমে থাকে, আর টাকা দিলে সেটিও তখনই আবার চালু হয়। ট্রায়ালে ক্রেডিট কার্ড লাগে না, ভবনের আকারেরও কোনো সীমা নেই।

সব ফ্ল্যাট মালিক কি পুরো সমিতির হিসাব দেখতে পাবেন?+

না — এবং সেটা ইচ্ছাকৃত। মালিক নিজের ফোনে নিজের বিল আর বকেয়া দেখেন। সমিতির পূর্ণ খাতা, তহবিলের অবস্থা আর খরচের ভাউচার দেখতে পান কমিটির সদস্যরা — সভাপতি, সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ। কমিটি যে মাসিক ও বার্ষিক রিপোর্ট প্রকাশ করে, গোটা সমিতি সেটিই পড়ে।

গ্রিডের বাকিটা দেখুন